পহেলা বৈশাখ: ইতিহাস ও বর্তমান


সৌর পঞ্জিকা অনুসারে বাংলা বারো মাস অনেক কাল আগে থেকেই পালিত হতো। এই সৌর পঞ্জিকার শুরু হতো গ্রেগরীয় পঞ্জিকায় এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময় হতে। সৌর বছরের প্রথম দিন আসাম, বঙ্গ, কেরল, মনিপুর, নেপাল, উড়িষ্যা, পাঞ্জাব, তামিল নাড়ু এবং ত্রিপুরার সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে অনেক আগে থেকেই পালিত হত। হিন্দু ও শিখগণ এই উৎসব পালন করত। [১] ভারতের পূর্বাঞ্চল ও উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর নববর্ষের উৎসবগুলো ‘হিন্দু বিক্রমী দিনপঞ্জি’র সাথে সম্পর্কিত। এই দিনপঞ্জির নামকরণ করা হয়েছে খ্রিস্টপূর্ব ৫৭ অব্দে বিক্রমাদিত্যের নাম অনুসারে। ঐতিহাসিকদের মতে, পহেলা বৈশাখ উৎসবটি ঐতিহ্যগত হিন্দু নববর্ষ উৎসবের সাথে সম্পর্কিত যা Vaisakhi (বৈশাখী ) ও অন্য নামে পরিচিত। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে একই দিনে এই উৎসব পালিত হত। [২] সুতরাং পহেলা বৈশাখ ‘বাঙালি সংস্কৃতি’র সাথে ঐতিহাসিকভাবে ‘খাস’ কোনো জিনিস না। এর উদযাপন বাঙালি জাতিসত্তার সাথেই ইউনিক, এটা বাঙালি জাতিসত্তার পরিচায়ক— ব্যাপারটা এমন না।

সমগ্র ভারতে প্রচলিত ‘হিন্দু বিক্রমী দিনপঞ্জি’টির যে ভার্সনটি বাংলা ও নেপাল এলাকায় চালু ছিল, সেই ‘বঙ্গাব্দ’-এর সূচনা ৫৭ খ্রিস্টপূর্বে হয়নি, বরং ৫৯৩ খ্রিষ্টাব্দে শুরু হয়েছিল। মনে করা হয় শশাঙ্কের শাসনামলেই এই পরিবর্তন হয়। [৩] এই বাংলা দিনপঞ্জিটি সংস্কৃত গ্রন্থ ‘সূর্য সিদ্ধান্ত’-এর উপর ভিত্তি করে লেখা। এখানেও মাসগুলোর ঐতিহাসিক সংস্কৃত নামগুলোই রাখা হয়েছে, যার প্রথম মাসের নাম হল বৈশাখ। [৪] তাদের দিনপঞ্জিটি হিন্দু দিনপঞ্জি ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত এবং বিভিন্ন বাঙ্গালি হিন্দু উৎসবের দিন নির্ধারণে সেটি ব্যবহৃত হয়। পশ্চিমবঙ্গ ও অন্যান্য অঙ্গরাজ্যের বাঙ্গালিদের জন্য প্রতি বছর ১৪ বা ১৫ এপ্রিলে এই উৎসব হয়ে থাকে। সুতরাং ঐতিহাসিকভাবেই হিন্দু প্রথা-পার্বণ ও শিরকী ধর্মাচারের সাথে ‘বঙ্গাব্দ’ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সুতরাং বাঙালি হিন্দুর অন্যতম প্রধান উৎসব ছিল পহেলা বৈশাখের উৎসব।

ইসলামের আবির্ভাবের পর ইসলাম যে সংস্কৃতির সংস্পর্শেই এসেছে, তার শিরক-কুফর-মানবতাবিরোধী উপাদানগুলোকে পরিত্যাগ করেছে। ইসলামের আবির্ভাবের শুরু থেকেই বাংলা অঞ্চলে পূর্ববঙ্গীয় মুসলিম জাতিসত্তার বিকাশ আমরা দেখতে পাই।

  • ৬৯০ খ্রিষ্টাব্দে দেশের প্রথম মসজিদটিও নির্মিত হয় লালমনিরহাট জেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের ‘মজেদের আড়া’ নামক গ্রামে। এটির নাম সাহাবায়ে কেরাম জামে মসজিদ। এর একটি ইটে কালেমা তাইয়্যেবা ও ৬৯ হিজরি লেখা রয়েছে। [৫]
  • ১২০৪ সালে ইখতিয়ারউদ্দিন মুহাম্মদ খলজী নদীয়া আক্রমণ করেন এবং লখনৌতিতে রাজধানী স্থাপন করেন।
  • ১৩০৩ ইংরেজি সালে শায়খ শাহ জালালের (১২৭১-১৩৪১) আগমন। সৈয়দ নাসির উদ্দীন কর্তৃক সিলেট বিজয় ১৩০৪ সালে।
  • শাহ মখদুম রূপোশ (১২১৬-১৩৩১ খ্রিষ্টাব্দ) ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষার্ধে এবং চতুর্দশ শতাব্দীর শুরুতে বাংলাদেশ তথা রাজশাহী অঞ্চলে আসেন।
  • পীর কদল খান গাযী ১৩৪০ খ্রীষ্টাব্দের কিছু আগে কিংবা পরে তাঁর ১১ জন সাথীকে নিয়ে চট্টগ্রাম জয় করেন। তাঁকে সাহায্য করেন সুলতান ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ।
  • ১৪১৮ খ্রিষ্টাব্দে জৈনপুর প্রদেশের গভর্নর খানজাহান যশোরের বারবাজারে অবস্থান নেন এবং বাংলার দক্ষিণ পশ্চিম অংশে ইসলাম ধর্ম প্রচার ও প্রসার আরম্ভ করেন।

মোটামুটি ৭০০-১৫০০ সালের মাঝে বাংলা ভাষাভাষীদের মাঝে হিন্দু জাতিসত্তার পাশে গড়ে ওঠে মুসলিম জাতিসত্তা; ভাষা এক হলেও যাদের সংস্কৃতি, উৎসব, বিশ্বাস, আদবকেতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। হিন্দু উৎসব পঞ্জিকা ‘বঙ্গাব্দ’ যাদের সংস্কৃতিতে আর প্রাসঙ্গিক না। পহেলা বৈশাখ যে জাতিসত্তার উৎসব আর নেই। শাসনকার্যে স্বাধীন সুলতানী আমল ও প্রাথমিক মোগল আমলে হিজরী সনের ভিত্তিতেই সকল প্রশাসনিক কাজ চলত, পূর্ববঙ্গীয় মুসলিম জাতিসত্তার ধর্ম-উৎসবের সাথে যা ছিল অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। এর ফলে কৃষকজীবনে কিছু সমস্যা দেখা দিল। হিজরি সন চাঁদের উপর নির্ভরশীল হওয়ায় তা কৃষি ফলনের সাথে মিলত না। ফলে অসময়ে কৃষকদেরকে খাজনা পরিশোধ করতে হত। খাজনা আদায় কৃষকদের জন্য সহজ করতে সম্রাট আকবর সেই প্রাচীন বর্ষপঞ্জিটা সংস্কারের আদেশ দেন। রাজকীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী ফতেহউল্লাহ সিরাজি প্রাচীন বাংলা সৌর সন এবং আরবি হিজরী সনের উপর ভিত্তি করে নতুন বাংলা সনের নিয়ম বিনির্মাণ করেন। বর্তমান বাংলা সন গণনা শুরু ১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দের ১০ই মার্চ বা ১১ই মার্চ। [৬]

আকবরের সময়কাল থেকেই পহেলা বৈশাখ উদ্‌যাপন শুরু হয়। তখন প্রত্যেককে বাংলা চৈত্র মাসের শেষ দিনের মধ্যে সকল খাজনা, মাশুল ও শুল্ক পরিশোধ করতে বাধ্য থাকত। এর পর দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখে ভূমির মালিকরা নিজ নিজ অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে মিষ্টান্ন দ্বারা আপ্যায়ন করতেন (জমিদারদের উৎসব) । এ উপলক্ষে বিভিন্ন উৎসবের আয়োজন করা হত। দেখা যাক কী কী উৎসব: প্রাচীন একটি বটবৃক্ষের নিচে সিদ্ধেশ্বরী দেবীর পুজো। এই উপলক্ষে ৫ দিনব্যাপী মেলা। বিশেষ করে কুমারী, নববধূ, এমনকি জননীরা পর্যন্ত তাদের মনস্কামনা পূরণের আশায় এই মেলায় এসে পূজা-অর্চনা করেন। এজন্য এর নাম ‘বউমেলা’। পাঁঠাবলিরও রেওয়াজ রয়েছে। আরও আছে সনাতন ধর্মের লোকেদের জন্য আয়োজিত ‘ঘোড়ামেলা’। আদিবাসীদের বৈসাবী উৎসব, মারমাদের ‘পানি উৎসব’। এছাড়া সূর্যপ্রণাম, গঙ্গাস্নান, চড়কমেলা ইত্যাকার নানান হিন্দু উৎসব পালিত হয়ে আসছে পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে। যেগুলো পূর্ববঙ্গে গড়ে ওঠা মুসলিম জাতিসত্তার অংশ নয়। এই উদযাপনে মুসলিমদের অংশগ্রহণ যেন ঠাকুরপূজা ছাড়া দূর্গোৎসব পালনের মতোই। সবই করলাম, কেবল প্রতিমাটাকে পূজা করলাম না আরকি।

আধুনিক নববর্ষ উদ্‌যাপনের খবর প্রথম পাওয়া যায় ১৯১৭ সালে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশদের বিজয় কামনা করে সে বছর পহেলা বৈশাখে হোম কীর্তন ও পূজার ব্যবস্থা করা হয়। অর্থাৎ বুঝা যাচ্ছে বৃটিশের হিন্দু সুবিধাভোগী বর্ণহিন্দুরাই এর আয়োজক। হিন্দু জমিদার ও ব্যবসায়ী শ্রেণী, যারা বছরের পর বছর পূর্ববঙ্গের মুসলিম প্রজাদের উপর নির্যাতন চালিয়ে এসেছে, তাদের উৎসব। বৃটিশদের নির্মিত এশিয়াটিক সোসাইটির প্রত্যক্ষ মদদে হিন্দুপণ্ডিতদের সাথে নিয়ে বাংলা ভাষাকে হিন্দুকরণ করা হয়েছে ‘বাঙালি মুসলিম’-কে অস্বীকার করার জন্য। বের করে দেয়া হয়েছে আরবি-ফার্সি বহু শব্দ। তেমনি ‘বাঙালি মুসলিম জাতিসত্তা’-কে অস্বীকার করা হয়েছে হিন্দু সাহিত্যিক-কবিদের রচনায়। শরৎচন্দ্র যেমনটি বলেছেন ‘বাঙালি ও মুসলমান ছেলেদের ফুটবল খেলার’ গল্প। একইভাবে ‘বাঙ্গালিয়ানা’র একচেটিয়া ডিলারশিপ নিয়ে হিন্দু সংস্কৃতিকে ‘বাঙালি’ বলে চাপানোর চেষ্টা করে চলেছে একটি মহল। যেমন নাস্তিক না হলে তুমি বিজ্ঞানমনষ্কই না। তেমনি একটা কথা ‘হিন্দু সংস্কৃতি’ না মানলে তুমি ‘বাঙালি’ই না। মুসলমানের কেবলা যেমন মক্কা, বাঙালিয়ানার কেবলা তেমনি কলকাতা। কলকাতার কালচার না মানলে তুমি সহীহ ‘বাঙালি’ না। দেখেছো, কলকাতার ওরা কত সুন্দর কত সভ্য বাঙালি। পূর্ববঙ্গের মুসলিমদেরও ‘সহীহ বাঙালি’ হতে হলে কলকাতার হিন্দুয়ানি উপাদানগুলোকে আপনায়ে নিতে হবে।

অবশেষে যখন পূর্ববঙ্গের মুসলিম জাতিসত্তা নিজের একটা রাষ্ট্র পেল, পশ্চিম পাকিস্তানি নির্বোধ ‘আশরাফ’ মুসলমানও আমাদেরকে আপন বলে স্বীকার করলো না। উর্দুভাষী মুসলিমরাও বাঙালি মুসলিমদের সাথে অন্যায় করেছে সেই ‘আগা খান কমিশন’ থেকেই। সুযোগ পেয়ে গেল ‘বাঙালিয়ানা’র পীরেরা। তারা আমাদেরকে ‘সহীহ বাঙালি’ হবার ডাক দিল দ্বিজাতি-তত্ত্বকে ভ্রান্ত প্রমাণ করতে। ব্যবহার করল সেই পুরনো কাসুন্দি। ১৯৬০-এর দশকে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর নিপীড়ন ও সাংস্কৃতিক সন্ত্রাসের প্রতিবাদে ১৯৬৭ সাল থেকে ছায়ানটের এই বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের সূচনা। পূর্ববঙ্গের বাঙালি মুসলিমদের মাঝে সহীহ ‘বাঙালি’ত্ব প্রচার শুরু হল। এরা কারা জানেন তো? এরা হল তারা যারা চায়নি পূর্ববঙ্গের মুসলিম বাঙালি আলাদা দেশ পাক। ঠিক ১৯০৫ সালে যারা চায়নি এরা আলাদা প্রদেশ পাক। বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে যারা সহিংসতা করতেও পিছপা হয় নি। বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর ১৯৭২ সালে চাপিয়ে দেয়া হলো সেই ‘বাঙালি জাতীয়তাবাদ’, কেবলা রয়ে গেল কলকাতা-ই। পরে অবশ্য পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু বাঙালি এবং পূর্ববঙ্গের মুসলিম বাঙালি জাতিসত্তার পার্থক্য করতে ‘বাঙালি জাতীয়তাবাদ’ বদলে করা হয়েছিল ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’। কিন্তু রাম-বামদের আওয়াজে বন্ধুদেশের উপনিবেশী স্বার্থে আবার ফিরে এলো সেই সাংস্কৃতিক পরাধীনতা। (বিঃদ্রঃ বাঙালি কমিউনিস্ট নেতাদের সকলেই ছিল বর্ণহিন্দু জমিদার সন্তান; যারা জমিদারি হারিয়েছিল স্বাধীন পাকিস্তানে।) পহেলা বৈশাখ উদযাপন সেই সাংস্কৃতিক পরাধীনতারই উদযাপন কি না?

১৯৮৯ সাল থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে। ২০০৫-০৬ অর্থবৎসরে সেই ভাষার উপনিবেশকারী প্রতিষ্ঠান এশিয়াটিক সোসাইটি পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রাকে ‘জাতীয় সংস্কৃতি’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে, যা কিনা স্রেফ ঢাবি’র চারুকলার আয়োজন ছিল। সেটা ‘জাতীয়’ হল কীভাবে কী জানি। এশিয়াটিক সোসাইটি একসময় করেছে বাংলা ভাষার উপনিবেশায়ন, এখন করল সংস্কৃতির উপনিবেশায়ন। কীভাবে একটা হিন্দু পার্বণ হয়ে গেল ‘পূর্ববঙ্গীয় মুসলিম জাতিসত্তার’ জাতীয় উৎসব? ইসলামের প্রতিটি উপাদান কাদের ‘অপর’, কাদের কাছে ‘বিদেশী’? পূর্ববঙ্গের সংস্কৃতিতে নামায-রোযা-তারাবি-পর্দা-টুপি বিদেশী না, বরং নিজের-আপন। কীভাবে হিন্দুদের সিঁদুরের রেমন্যান্ট ‘টিপ’ হয়ে গেল পূর্ববঙ্গের মুসলিমদের কালচার, যেখানে মুক্তিযুদ্ধের সময়ের ছবিগুলোতেও কারও কপালে টিপ দেখা যায় না। বাংলা ভাষায় আরবি-ফার্সি শব্দ বের করে দিয়ে জোর করে সংস্কৃত শব্দ ঢোকানোর মতো আজ কি কেউ বাঙালির জীবন থেকে হিজাব-টুপি-দাড়ি-নামায বের করে দিয়ে জোর করে ঢুকাচ্ছে টিপ-পহেলা বৈশাখ-মঙ্গলযাত্রা? তারা কারা? তারা কি পূর্ববঙ্গের মুসলিম জনগোষ্ঠীর স্বাধীন দেশ থাকুক, এর পক্ষে? নাকি ‘বঙ্গভঙ্গ রদ’ এর মত ‘বাংলাদেশ রদ’ করে এক করে নেবার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে চলেছে?

রেফারেন্স:

[১] Robin Rinehart (২০০৪)। Contemporary Hinduism: Ritual, Culture, and Practice। ABC-CLIO। পৃষ্ঠা 139।

[২] William D. Crump (২০১৪)। Encyclopedia of New Year’s Holidays Worldwide। McFarland। পৃষ্ঠা 113-114।

[৩] Hermann Kulke, Dietmar Rothermund, A History of India

[৪] Kunal Chakrabarti; Shubhra Chakrabarti (২০১৩)। Historical Dictionary of the Bengalis। Scarecrow। পৃষ্ঠা 114–115।

[৫] এশিয়ার প্রথম মসজিদ সাহাবায়ে কেরাম, যায় যায় দিন, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ [৬] সমবারু চন্দ্র মহন্ত (২০১২)। “পহেলা বৈশাখ”। ইসলাম, সিরাজুল; মিয়া, সাজাহান; খানম, মাহফুজা; আহমেদ, সাব্বীর। বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (২য় সংস্করণ)। ঢাকা, বাংলাদেশ: বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি।

তথ্যসূত্র:

  • পহেলা বৈশাখ, উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
  • কোলকাতা কেন্দ্রিক বুদ্ধিজীবী, এম আর আখতার মুকুল
  • বঙ্গভঙ্গ থেকে বাংলাদেশ (আবদুল মান্নান)
  • ইতিহাসের ছিন্নপত্র (কায়কাউস)
  • ভুলে যাওয়া ইতিহাস (ব্যারিস্টার এস. সিদ্দিকী)

<image>


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *